সঠিক পদ্ধতিতে সার্জিক্যাল মাস্ক পরছেন তো? জেনে নিন ব্যাবহারের নিয়মগুলো…

0
1409
Image-Google

ইনফেকসাস ডিজিজ, যেগুলো বাতাসে ছড়ায়, সেগুলো থেকে রক্ষা পেতে ফেস মাস্ক বা মুখোশ বেশ সহায়ক। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতেও এই ফেস মাস্ক বেশ ভূমিকা রাখতে পারে। মাস্ক ব্যবহারের রয়েছে কিছু নিয়ম-কানুন।

মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম

১.সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা একবারমাত্র ব্যবহার করতে হয়। এগুলোতে অনেকগুলো লেয়ার থাকে। তবে বাজারে এক লেয়ারের মাস্কও পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করা ঠিক নয়।

মাস্ক উল্টো করে পরা উচিত নয়। সব সময় এর রঙিন দিকটা বাইরে থাকবে।

২. সার্জিক্যাল মাস্কের দুটি দিক থাকে। সামনের দিকটা একটু হালকা নীল রঙের এবং পেছনের দিকটা সাদা রঙের। সাদা অংশটা ফিল্টার, যা ভেদ করে জীবাণু ঢুকতে পারে না। যাঁরা সুস্থ আছেন এবং ভাইরাস বা জীবাণু প্রতিরোধ করতে চান, তাঁরা সাদা অংশটি বাইরে রেখেই মাস্ক ব্যবহার করবেন। কেননা সাদা অংশ দিয়ে ফিল্টার করেই বাতাস ভেতরে ফুসফুসে ঢুকবে। নীল অংশটি মুখের ভেতরে থাকবে। অথচ বেশির ভাগ মানুষই সাদা অংশটি মুখের ভেতরে রাখেন।

image-Google

৩.তবে কেউ যখন ঠাণ্ডা, জ্বর, হাঁচি, কাশি বা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত, তখন নীল অংশটি বাইরে রেখে মাস্ক ব্যবহার করবেন। এতে তাঁর মুখ থেকে ক্ষতিকর কিছু বাইরে যেতে বাধা পাবে এবং অন্য কেউ সহজে আক্রান্ত হবে না।

৪.অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে। এটা কিন্তু ঠিক নয়। বরং ওপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে।

৫.অনেকে মাস্ক থুতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই দেহে ছড়িয়ে পড়ে।

৬.একই মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। নিয়ম হলো, একটি মাস্ক সর্বোচ্চ এক দিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

  • তবে রাস্তায় বা ময়লা ফেলার জায়গায় সোজা তা ফেলে দেবেন না।
  • কোনও কাগজের ব্যাগে তা ভরে, তবে ফেলুন। যাতে জীবাণু না ছড়ায়।
  • অন্য কিছুতে হাত দেওয়ার আগে আবার ভাল ভাবে সাবান-জল দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here