খুবই কৌতুকময় ছিলেন কবিগুরু।দেখে নিন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের কিছু মজার ঘটনা !!

কবিগুরু কত বড় মাপের সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন তার প্রতিভা কতখানি বিস্তৃত তা জানেন না এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া দুর্লভ। তাই আজ কবিগুরুর চরিত্রের অন্য একটি প্রসঙ্গের অবতারণা করব। কবিগুরুর চরিত্রের হাস্য পরিহাস কৌতুক এর দিকটি তুলে ধরব।

0
136

ঙ্গীতা চৌধুরী- আজ ২২ শে শ্রাবণ, কবিগুরুর ৭৯ তম প্রয়াণ দিবস। বাঙালি ২৫ শে বৈশাখ কবিগুরু জন্মতিথি আর ২২ শ্রাবণ কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস এই দুটো দিন কখনোই ভোলেননা। ভোলেনা গীতাঞ্জলি রচয়িতা কে।যার জন্য বিশ্বের দরবারে বাঙালি আজ ও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে ভোলা কি সম্ভব?

কবিগুরু কত বড় মাপের সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন তার প্রতিভা কতখানি বিস্তৃত তা জানেন না এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া দুর্লভ। তাই আজ কবিগুরুর চরিত্রের অন্য একটি প্রসঙ্গের অবতারণা করব। কবিগুরুর চরিত্রের হাস্য পরিহাস কৌতুক এর দিকটি তুলে ধরব।

কবিগুরুর নিজের ভাষায় বলেছিলেন-“এত বুড়ো কোনোদিন হবো নাকো আমি/হাসি তামাশারে যবে কবো ছ্যাবলামি!!!”তাই কবিগুরু বরাবরই ছিলেন কৌতুক প্রিয় মানুষ।

একবার শান্তিনিকেতনের আত্মভোলা শিক্ষক নেপাল চন্দ্র রায় কে তিনি একটি চিঠি লিখলেন। চিঠিতে তিনি নেপাল বাবুকে লিখলেন-“কাল বিকেলে আমার এখানে এসে দন্ড নিয়ে যেও।”এই চিঠি পেয়ে রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়লেন নেপালবাবু। কবি গুরুর চরণে তিনি কী অপরাধ করেছেন তা তিনি ভেবেই পেলেন না। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে গেলেন তার শিল্পী বন্ধু নন্দলাল বসুর কাছে।

নন্দলাল বসু নিজে নেপাল চন্দ্রের সঙ্গে না গেলেও সাহস যুগিয়ে নেপাল চন্দ্র কে কবিগুরুর কাছে পাঠালেন।

পরেরদিন রবীন্দ্রনাথের কাছে গিয়ে নেপাল চন্দ্র কিছুতেই নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। রবীন্দ্রনাথ তাকে চা – পানে আপ্যায়িত করলেন কিন্তু দন্ডের ব্যাপারে কোন কিছুই বললেন না। বিদায় সময় রবীন্দ্রনাথ রহস্য উন্মোচন করলেন। নেপাল চন্দ্র উঠে দাঁড়াতেই একটা মোটা লাঠি নিয়ে রবীন্দ্রনাথ বললেন-“এই নাও তোমার দন্ড,কাল এখানে ভুলে ফেলে গেছো।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here