পাটনায় তৈরি হতে চলেছে সুশান্ত সিং রাজপুতের নামে মিউজিয়াম, যেখানে রাখা হবে তার ফেলে যাওয়া সমস্ত স্মৃতি!

0
811
image-Google

দা টাইমস অফ কলকাতা ডেস্ক (রোহান মণ্ডল)– তিনি আর নেই। তার অগণিত ভক্ত এখনো এটাকে মানতে পারছে না হয়তো মনে মনে চাইছে আবার তিনি ফিরে আসুন আমাদের কাছে।

সুশান্ত সিং রাজপুতের Sushant Singh Rajput জন্ম বিহারের পাটনার রাজীবনগর এলাকায়। এখানে কাটে সুশান্তের ছেলেবেলা। তার মৃত্যুর পর তার জন্মস্থান থেকে তাকে এক অনন্য শ্রদ্ধা জানানো হলো, একটি রাস্তার নাম রাখা হল সুশান্ত সিং রাজপুত চক। বিহারের পাটনা তেই তার বাবাসহ পরিবারের বাকি সদস্যরা থাকেন।
রাজীব নগর এলাকার একটি রাস্তায় স্কোয়ারে বোর্ড করে ‘ সুশান্ত সিং রাজপুত চক ‘নামকরণ করা হয়েছে।

Image-Santabanta.com

তিনি উঠে এসেছিলেন এক সাধারণ পরিবার থেকে তাই তার মতো প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীরা যাতে সঠিক দিশা পাই তাই তার পরিবার সুশান্ত সিং রাজপুত ফাউন্ডেশন গড়তে চলেছে। যেটি প্রতিভাবান তরুণ তরুণীদের পাশে দাঁড়াবে।শনিবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত Sushant Singh Rajput এর জন্মস্থান অর্থাৎ পাটনাতে তৈরি হবে সুশান্ত সিং রাজপুত ফাউন্ডেশন। সিনেমা, ক্রীড়া ও বিজ্ঞান এই তিন জগতের উঠতি প্রতিভাবানদের সঠিক পথ দেখাবে এই ফাউন্ডেশন।

সিনেমা, ক্রীড়া ও বিজ্ঞান এই তিনটি বিষয়ের উপর সুশান্ত আগ্রহী ছিলেন। এবং এই তিনটি বিষয়েই তিনি ছিলেন অসামান্য প্রতিভার অধিকারী। পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে ” শুধু ফাউন্ডেশন নয়, রাজীব নগরে সুশান্তের Sushant Singh Rajput ফেলে যাওয়া ব্যবহৃত সামগ্রী গুলি দিয়ে তৈরি করা হবে স্মৃতিস্মারক সংগ্রহশালা “। সেখানে রাখা হবে তার সবচেয়ে কাছের প্রিয় টেলিস্কোপটি যা দিয়ে তিনি চোখ রাখতেন নক্ষত্রের জগতে। এছাড়াও গল্পের বই এবং ‘ এম এস ধোনি দ্য আনটোল্ড স্টোরি ‘ সিনেমার শুটিংয়ের সময় সংগ্রহ করা কিছু ক্রীড়াসামগ্রী সেখানে রাখা হবে।

Image-Google

সুশান্ত সিং রাজপুতের পরিবার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে ” ও আমাদের কাছে ছিল প্রাণবন্ত এক নিষ্পাপ ফুলের বাগিচা। মুক্ত একটি আত্মা এবং একটি উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। যার মুখে সবসময় থাকতো একটি মায়াবী হাসি। দেখতো একরাশ স্বপ্ন এবং সে স্বপ্ন সত্যি করার জন্য হৃদয় দিয়ে ছুটতো। ওর জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ওর টেলিস্কোপ যা দিয়ে ও পাড়ি দিত অন্য জগতে, কথা বলতো নক্ষত্রদের সাথে।


পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন ” আমরা এখনো মেনে নিতে পারছিনা যে ও নেই, ফোনের ওপার থেকে শুনতে পাবো না ওর সরল হাসি সেই মনে আশা জাগানো কণ্ঠস্বর। বিজ্ঞান চর্চা নিয়ে অপরিসীম উৎসাহের শরিক হতে পারবোনা। ওর মৃত্যুর ফলে পরিবারে যে শূন্যস্থানের সৃষ্টি হয়েছে তা অপূরণীয়। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের প্রাণবন্ত এই সুন্দর বাগান কে ভালোবেসে সতেজ রাখার জন্য “।
” আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওর কীর্তি কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটার এর একাউন্ট গুলিকে চালু রাখব। সবশেষে আপনাদের আবার ধন্যবাদ জানাতে চাই ওর পাশে থাকার জন্য এবং ওর অবর্তমানে আমাদের পাশে থাকার জন্য “

Image SOurce-GOogle

পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে ১৪ ই জুনের দুর্ঘটনার পর ওর বন্ধু ও সহকর্মী হিসেবে একমাত্র অঙ্কিতা লোখান্ডে ও কৃতি শ্যানন তাদের সাথে দেখা করতে পাটনা এসেছিল।তার বাবা জানিয়েছেন ” হয়তো রিয়া চক্রবর্তী কাজে ব্যস্ত তাই সময় হয়নি এসে দেখা করার”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here